শিক্ষিত না হয়েও বুদ্ধিদিপ্ত ও সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধানকারীই স্মার্ট নাগরিক : পলক

৭ নভেম্বর, ২০২৩ ১৮:৫৯  

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে অত্যাধুনিক সাইবার রেঞ্জ প্রতিষ্ঠার পর এখন ইথিক্যাল হ্যাকার গ্রুপ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। এই গ্রুপটা কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিমের সঙ্গে কাজ করবে। দেশের সাইবার আকাশকে পুরোপুরি নিরাপদ রাখতে ৩৭টি ক্রিটিক্যাল ইনফরেমশন অবকাঠামোতে আধুনিকতম প্রযুক্তি ব্যবহার করার পাশাপাশি বিশ্বমানের ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন ও সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার স্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে দেশে সাইবার নিরাপত্তা শিল্পের বিকাশে প্রত্যেকের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে আইসিটি বিভাগ।

মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর ২০২৩) রাজধানীর বিজয় সরণীতে অনুষ্ঠিত স্মার্ট বাংলাদেশ ও সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে অনুষ্ঠিত সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব তথ্য দেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্মার্ট বাংলাদেশে প্রযুক্তির সৎ ব্যবহারে প্রত্যেক নাগরিকই রাষ্ট্রের ন্যায্য অংশীদারিত্ব পাবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।

‘শিক্ষিত না হয়েও বুদ্ধিদিপ্ত ও সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধানকারীই স্মার্ট নাগরিক’ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেছেন, আগামীতে সরকারি সেবা ইন্টারনেটে সংযুক্তির পর এআই ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় সরকার গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি, সাইবার সুরক্ষায় প্রশিক্ষণ এবং স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

আইডিয়া ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ এন করিম।

সেমিনারে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের সচিব মোঃ সামসুল আরেফিন, ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালক আবু সাঈদ মো: কামরুজ্জামান, বুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলী অনুষদের প্রধান অধ্যাপক মাহমুদা নাজনীন এবং এফবিসিসিআই প্যানেল উপদেষ্টা সৈয়দ সাদাত আলমাস কবির।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আইডিয়া ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সদস্য মুহাম্মাদ শহীদুল হক এবং সমাপনী বক্তব্য দেন বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান, কাজী মোঃ আমিনুল ইসলাম। এছাড়াও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন হপলন লিমিটেড চেয়ারম্যান সৈয়দ আহসান হাবিব।

আলোচনায় সাইবার নিরাপত্তায় সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেন প্রায় সকল বক্তা। এদের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা বজায় রাখতে একজন নাগরিকের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে আলোকপাত করেন সৈয়দ আলমাস কবির। সাইবার নিরাপত্তার কমপ্লায়েন্স ও আইন নিয়ে আলোচনা করেন আবু সাঈদ মো: কামরুজ্জামান। আর সাইবার সিকিউরিটি গ্র্যাজুয়েট তৈরির বিষয়ে নিজেদের উদ্যোগ তুলে ধরেন অধ্যাপক মাহমুদা নাজনীন।